এ কেমন খুনসূটি
চা দেয়ার ছলে হাতটা তো দিলে পুড়িয়ে
না হয় পুড়ুক হাত বুকটাতো রয়ে গেলো অক্ষয়
বুকের ভেতরে সেই মৌচাক একঝাঁক পোষা মৌমাছি
ধূপদানী দিয়েছো মৌচাকে এবার ছুঁয়ে দিলে হাত
এই হাত তারপর তুলে নিলো তুলি
মনের মানুষটি এখন মনের ছবিটি আঁকে
ছবির সীমানা ছাড়িয়ে মাটির গন্ধ খুঁজে।
না হয় পুড়ুক হাত মনটাতো আছে
পটুয়া মনের খুঁজে এসো তালপুকুরের পাড়ে
একদিন বেখেয়ালে দেখা হয়ে যাক
সানকিতে এঁকে দেবো চম্পাবতীর পালা
পান্তাভাতের সাথে হবে রুপচান্দার সালুন
পেড়ার সন্দেশ আর মালাই দেয়া চা
সবশেষে ঠোঁট লাল
একখিলি পান।

বৃদ্ধটি আমাদের তাবু গাড়তে বললেন পঞ্চগ্রামের উন্মুক্ত প্রান্তরে। একজন মনে করিয়ে দিলেন এই সেই প্রান্তর যেখানে সমাপ্তি হয়েছিলো তিন শতকের যুদ্ধের। ওইখানে দাঁড়িয়ে বিজয়ী সেনাপতি বলেছিলেন বাড়ি ফিরে যাও আর জীবন যুদ্ধের মাঝেই কাটাও বাকীটা জীবন। বলেছিলেন পরাজয়ের ভেতরেই খুঁজে নিতে জয়ের গৌরব। সেই থেকেই আমরা তিনজন সারাটা জীবন দুয়ারে দুয়ারে প্রশ্ন করে ফিরি। বলতো কখন সেই পরাজয়ের গৌরব জয়ের চেয়েও বেশী?
প্রাজ্ঞতায় পুত্র যখন তাহার পিতাকে হারায়।
শিষ্য যখন গুরুকে হারায় জ্ঞানের পরীক্ষায়।
এ নহে পরাজয়।
গৌরবময় এ পরাজয় জেনো জয়ের চেয়েও সুখময়।
এই বলে বৃদ্ধটি থামলেন। থুতুনিতে হাত দিলেন। দাড়িটা ঘষলেন। তারপর আবারো শুরু করলেন।
জগতের সকল জয়ই শুধু জয় নয়।
সকল পরাজয়ও শুধু পরাজয় নয়।
বলোতো কোন জয় আসলে আরেক পরাজয়?
আমরা তিনজন আবারো মাথা চুলকাতে চুলকাতে তাবু থেকে বের হয়ে আসলাম। একটা প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেলো তো আরেকটা তর্কের শুরু।


মুখ দিয়ে জল পান করতে হয় না
চোখের কোটরে ঢাললেই
পেট বরাবর পৌছে যায়,
ঢোক গিলার ঝামেলা নেই ।
জল বাষ্প হয় বলে
আপাতত মাঝখানের অঙ্গটার
প্রয়োজন অনেকটা অব্যহৃত ।
পুতুলের বিয়ে ভেঙে যায়
জমাট কান্না লুকিয়ে থাকে বাতাসে
মানুষের কান্নায় ক ' গ্যালন রক্ত
জলে রূপান্তরিত হয় :
অক্ষমতার বর্ণনা আয়নার পৃষ্ঠায়
পাঁজরের বয়স বাড়িয়ে দিয়ে
আর একটা রাত ধ্বংস করে ।

About this blog

hit counter

Sample text

ফেসবুকে আমাকে ফলো করুন

ভিজিটর কাউন্ট

Resources

মোট পোস্ট হল

জনপ্রিয় পোস্ট গুলি

আজকের তারিখ হচ্ছে

Powered by Blogger.

Ads 468x60px

Social Icons

সমস্ত পোস্ট গুলি এখানে

Featured Posts